পদ্মা সেতু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নোত্তর। Padma Bridge question & answer 2022| সাধারণ জ্ঞান – সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান

পদ্মা সেতু কোথায় অবস্থিত প্রিয় পাঠকগণ আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আপনাদের পদ্মা সেতুর সম্পর্কে আমরা আপনাদেরকে জানাবো। এই পোস্টটিতে আপনারা জানতে পারবেন পদ্মা সেতুর বর্তমান অবস্থা? পদ্মা সেতুর কাজ? পদ্মা সেতুর রচনা।? পদ্মা সেতুর পিলার কয়টি? পদ্মা সেতুর পাইল কি দিয়ে তৈরী? পদ্মা সেতুর বাজেট 2020? পদ্মা সেতু সম্পর্কিত প্রশ্ন 2020? ইত্যাদি।

 

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান

পদ্মা সেতু যার পুরো নাম পদ্মা বহুমুখী সেতু। দেশের বৃহত্তম এই সেতুটি বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর এই তিন জেলার মধ্যে অবস্থিত।মাদারীপুরের শিবচর; মুন্সীগঞ্জের মাওয়া; এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকায় পদ্মা ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা নদীর অববাহিকায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতু নির্মাণ করা হয়েছে ।দেশের সবচেয়ে বড় সেতুটি নির্মাণে কাজ করছেন প্রায় চার হাজার মানুষ। কাজের তদারকি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল। সেতুটি ২০২২ সালের মাঝের দিকে দিকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে বলে, সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই সেতুর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এর সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে বলে দাবি বিশ্লেষকদের।
পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান
দ্বিতল বিশিষ্ট ইস্পাত এবং কংক্রিট দিয়ে তৈরি, সেতুটির উপরে একটি চার লেনের রাস্তা এবং নীচে একটি একক রেলপথ রয়েছে। দেশের সর্ববৃহৎ এই সেতু নির্মাণ কাজের জন্য ৯১৭ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
পদ্মা সেতু বাজেট:
বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়ন করছে। ২০০৬ সালে প্রথম পদ্মা সেতুর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই সময় সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০,১৬১কোটি টাকা। এরপর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সেতুতে রেল সংযোগের পরিকল্পনা নেয়। এতে মোট ব্যয় বাড়িয়ে ধরা হয় ২০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা। পরবর্তীতে সেতু সংশিষ্ট কাজে এই ব্যয় বাড়িয়ে ৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয় যার ফলে মোট ব্যয় দাড়ায় ২৬ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে এই ব্যয় আরও বেড়েছে ১৪০০ কোটি টাকা, যার ফলে মোট ব্যয় আবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকায়।


আরও পড়ুন:  মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদের ৫ দফা দাবি

পদ্মা সেতুর বর্তমান অবস্থা

২০২১ সালের জুন পর্যন্ত, ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বি-স্তরের পদ্মা বহুমুখী সেতুর ৯৩.৫% (সমস্ত মূল ইস্পাত ফ্রেম স্প্যানস সেট করা আছে) নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

পদ্মা সেতুর পিলার কয়টি

পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলােমিটার। সেতুটি হবে দ্বিতলবিশিষ্ট। সেতুটি নির্মিত হবে কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে। সেতুর ওপরের তলা দিয়ে চলবে বাস, ট্রাক ইত্যাদি যানবাহন আর নিচতলা দিয়ে চলবে ট্রেন। পদ্মাসেতুর পিলারের সংখ্যা ৬৬টি। এর মধ্যে ৪২টি পিলার পদ্মাবক্ষে বসানাে হবে আর বাকি ২৪টি পিলার উভয় পাড়ে দেড় কিলােমিটার করে তিন কিলােমিটার সংযােগ সেতুর জন্য করা হবে। পদ্মাবক্ষে বসানাে ৪২টি পিলারে ৬টি করে পাইল থাকছে। তবে দুই পাড়ের পিলার দুটিতে আরও ৬টি করে বেশি পাইলসহ মােট ১২টি পাইল বসানাে হবে। মােট পাইলের সংখ্যা ২৬৪টি (৪২ X ৬ + ১২)। সেতুর পিলারগুলাে ১৫০ মিটার পরপর বসানাে হচ্ছে। প্রতিটি পিলার কম-বেশি ৭০ ফুট মাটির গভীরে প্রােথিত থাকবে

পদ্মা সেতুর বাজেট ২০২০

২০০১ সালের ৪ জুলাই পদ্মাসেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ১০ হাজার ১৬২ কোটি টাকায় প্রথম পদ্মাসেতু প্রকল্পটি অনুমােদন করেছিল। ২০১১ সালে প্রকল্প প্রস্তাব সংশােধন করে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী পাঁচটি ভৌত ও দুটি তদারক প্যাকেজ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৭৭ কোটি টাকা। নদীর তীর রক্ষা, ফেরিঘাট সরানাে ও নিরাপত্তাব্যবস্থা রক্ষার ব্যয় ধরলে তা ২৯ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাবে

প্রথম দিকে পদ্মা নদীর তলদেশের মাটি খুঁজে পেতে বেগ পেতে হয় সেতু নির্মাণকারী প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের। তলদেশে স্বাভাবিক মাটি পাওয়া যায়নি। সেতুর পাইলিং কাজ শুরুর পরে সমস্যা দেখা যায়। প্রকৌশলীরা নদীর তলদেশে কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় মাটির বদলে নতুন মাটি তৈরি করে পিলার গাঁথার চেষ্টা করে। স্ক্রিন গ্রাউটিং নামের এই পদ্ধতিতেই বসানো হয় পদ্মাসেতু। এরকম পদ্ধতির ব্যবহারের নমুনা বিশ্বে তেমন একটা নেই। এ প্রক্রিয়ায় ওপর থেকে পাইপের ছিদ্র দিয়ে কেমিক্যাল নদীর তলদেশে পাঠিয়ে মাটির শক্তিমত্তা বাড়ানো হয়েছে। তারপর ওই মাটিতে গেঁথে দেওয়া হয়েছে পিলার। এমন পদ্ধতির প্রয়োগ বাংলাদেশে এই প্রথম। এ পদ্ধতিতে পাইলের সঙ্গে স্টিলের ছোট ছোট পাইপ ওয়েল্ডিং করে দেওয়া হয়। পাইপের ভেতর দিয়ে এক ধরনের কেমিক্যাল পাঠিয়ে দেওয়া হয় নদীর তলদেশের মাটিতে। কেমিক্যালের প্রভাবে তখন তলদেশের সেই মাটি শক্ত রূপ ধারণ করে। একপর্যায়ে সেই মাটি পাইলের লোড বহনে সক্ষম হয়ে ওঠে। তখন আর পাইল বসাতে কোনো বাধা থাকে না।

২০০৫-এ পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রাথমিক প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১২,০০০/- কোটি টাকা। একনেক (Executive Committee of the National Economic Council)-এর সভায় পৃথিবীর অন্যান্য তুলনীয় সেতুর নির্মাণ ব্যযের নিরিখে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী সর্বমোট নির্মাণ ব্যয় ১০,০০০/- কোটি টাকায় সীমিত রাখার পরামর্শ প্রদান করেন।

২০০৭ এর আগস্ট মাসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে একনেক-এর সভায় পদ্মা সেতুর চূড়ান্ত প্রাক্কলন ১০,১৬১/- কোটি অনুমোদন করা হয়।

পরবর্তী কালে বিভিন্ন সময়ে প্রাক্কলন বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ অনুমোদিত প্রাক্কলনের পরিমাণ ৩০,১৯৩/- কোটি টাকা যা মূল প্রাক্কলনের চেয়ে ২০,০৩২/- কোটি টাকা বেশী। বলা হয়েছে বাস্তবায়ন বিলম্বিত হওয়াই প্রকল্প ব্যয় এতো বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ


আরও পড়ুন: শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া সহজ করতে অটোমেশনের চিন্তা

পদ্মা সেতুর কাজ

সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ কিলোমিটার। জাজিরা প্রান্তের ভায়াডাক্ট নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। মাওয়া প্রান্তে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হবে। ফলে স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষ হলে মাওয়া থেকে জাজিরা পর্যন্ত চাইলে হেঁটেই পারাপার করা যাবে।

প্রস্তাবিত পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প মাওয়া-জাজিরা পয়েন্ট দিয়ে নির্দিষ্ট পথের মাধ্যমে দেশের কেন্দ্রের সাথে দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সরাসরি সংযোগ তৈরি করবে। এই সেতুটি অপেক্ষাকৃত অনুন্নত অঞ্চলের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিল্প বিকাশে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখবে। প্রকল্পটির ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪৪,০০০ বর্গ কিঃমিঃ (১৭,০০০ বর্গ মাইল) বা বাংলাদেশের মোট এলাকার ২৯% অঞ্চলজুড়ে ৩ কোটিরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। ফলে প্রকল্পটি দেশের পরিবহন নেটওয়ার্ক এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। সেতুটিতে ভবিষ্যতে রেল, গ্যাস, বৈদ্যুতিক লাইন এবং ফাইবার অপটিক কেবল সম্প্রসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। এই সেতুটি নির্মিত হলে দেশের জিডিপি ১.২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।

পদ্মা সেতু রচনা

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম দুটি নদী- ব্ৰহ্মপুত্র ও গঙ্গা যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে সেখানেই কালের পরিক্রমায় গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বৃহত্তম এই ব-দ্বীপ। ভৌগােলিক গঠনগত কারণেই এদেশে জালের মতাে ছড়িয়ে আছে  অসংখ্য নদ-নদী। কিছু কিছু নদী আছে যেগুলাে দীর্ঘতর ও প্রশস্ততর। এজন্য বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চল বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার যােগাযােগ ব্যবস্থা তেমন ভালাে নয়। এমনই একটি নদী পদ্মা, যার ওপর সেতু নির্মিত হলে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ অঞ্চলের ১৯টি জেলার যােগাযােগ নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের বহু বছরের, বহু যুগের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে চলেছে পদ্মাসেতু নির্মাণের মাধ্যমে।

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান

1. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতু প্রকল্পের নাম কি?
উত্তরঃ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।

2. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর: ৬.১৫ কিমি।

3. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
উত্তরঃ ৭২ ফুট চার লেনের রাস্তা।

4. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুতে রেললাইন কোথায় বসানো হবে
উত্তরঃ নিচে।

5. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট কত কিলোমিটার?
উত্তর: ৩.১৮ কিলোমিটার।

6. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?
উত্তর: উভয় প্রান্তে 14 কিলোমিটার।

7. প্রশ্ন: পদ্মা সেতু প্রকল্প কত কিলোমিটার শাসন করেছে?
উত্তর: উভয় দিকে ১৪ কিলোমিটার।

8. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতু প্রকল্পের মোট ব্যয় কত?
উত্তর: মূল সেতুতে ২৬ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

9. প্রশ্ন: পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদী ব্যবস্থাপনার ব্যয় কত?
উত্তরঃ ৬ হাজার ৭০৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

10. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতু প্রকল্পে জনবল কত?
উত্তর: প্রায় ৪ হাজার।

11. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি?
উত্তর: ৮১টি।

12. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর উচ্চতা পানির স্তর থেকে কত?
উত্তর: 60 ফুট।

13. প্রশ্ন: পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত?
উত্তর: ৩৮৩ ফুট।

14. প্রশ্ন: প্রতিটি স্তম্ভের জন্য কয়টি পাইলিং?
উত্তর: ৬টি।

15. প্রশ্ন: পদ্মা সেতুতে কী থাকবে?
উত্তরঃ গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।

16. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতু কী প্রকার সেতু?
উত্তর: কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে দ্বিতল এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

17. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর পিলারের সংখ্যা কত?
উত্তর: ৪২।

18. প্রশ্ন: পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য কোন কোম্পানিটি চুক্তিবদ্ধ?
উত্তর: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড।

পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান
19. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয় কবে?
উত্তর: ৩০ সেপ্টেম্বর,২০১৬।

20. প্রশ্ন: শেষ / ৪১তম স্প্যানটি কোথায় স্থাপন করা হয়েছে?
উত্তরঃ ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটিতে।

21. প্রশ্নঃ প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর: ১৫০ মিটার।

22. প্রশ্ন: সংযোগকারী স্থানগুলো কি কি?
উত্তরঃ মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা।

23. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর কাজ কত সালে শুরু হয়?
উত্তর: ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে।
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী ; বিভিন্ন চাকুরীর পরীক্ষায় আসা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান

24. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানটি কোন দিনে বসানো হয়?
উত্তরঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে।

25. প্রশ্নঃ নদীর উপর বিশ্বের প্রথম দীর্ঘতম সেতু?
উত্তরঃ পদ্মা সেতু।

26. প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ কবে শেষ হবে?
উত্তর: ২০২২ সালের জুনে।

27. প্রশ্ন: 41টি স্প্যান ইনস্টল করতে কত দিন সময় লাগে?
উত্তরঃ ৩ বছর ২ মাস ১০ দিন।

28. প্রশ্নঃ কয়টি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
উত্তরঃ মোট ২৯টি ।

29. প্রশ্নঃ কোন প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতুর নকশা করেছে?
উত্তরঃ AECOM
নববহ্নি

পদ্মা সেতু a to z ,স্বপ্নের পদ্মা সেতু সম্পর্কে ১০টি বাক্য, পদ্মা সেতু স্প্যান, পদ্মা সেতু উইকিপিডিয়া, পদ্মা সেতুর বর্তমান অবস্থা, পদ্মা সেতুর কাজ, পদ্মা সেতুর স্প্যান কয়, পদ্মা সেতুর কাজ কবে শুরু হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Translate »